ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সাপ্তাহিক লেনদেনের ২ দশমিক ১৮ শতাংশই ছিল কোম্পানিটির দখলে। সপ্তাহ শেষে শেয়ারটির সমাপনী দর ৫৫ টাকা ৩০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। ডিএসই সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৬২ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ৩৪ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ৩৭ পয়সায়।
২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৮ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৮৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৭৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ৬৭ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ২২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৩ টাকা ৭১ পয়সায়।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ২২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ১৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৩ টাকা ১১ পয়সায়।
২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৩৪ পয়সায়।
২০০৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২৩৬ কোটি ৯০ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫৮৭ কোটি ১২ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ২৩ কোটি ৬৮ লাখ ৬৭ হাজার ১২৩। এর ৬২ দশমিক ৬৮ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১০ দশমিক ২৩, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক শূন্য ৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৭ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।